বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং ১০ শতাংশ মানুষ মারা যাচ্ছেন ডায়াবেটিস রোগের কারণে!
এসব রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধার পূর্বেই আমাদের উচিত বিভিন্ন ভিটামিন জাতীয় ও ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া। বিভিন্ন ফলমূল এবং লাল আটায় ফাইবার থাকে। তবে সব থেকে বেশি ক্যান্সার প্রতিরোধক ও ফাইবার (আঁশ) পাওয়া যায় লাল আটায়।
লাল আটার পুষ্টিগুণ
- ক্যান্সার প্রতিরোধক ভিটামিন- B6 = ০.৭ মিলি গ্রাম
- ফাইবার বা আঁশ রয়েছে= ১০ থেকে ১৫ গ্রাম
- ক্যালোরি রয়েছে = ৩৪০ কিলো ক্যালোরি
- প্রোটিন রয়েছে= ১৩ থেকে ১৫ গ্রাম
- ম্যাগনেশিয়াম = ৫০ থেকে ৬০ মিলি গ্রাম
- কার্বোহাইড্রেট = ৭০ থেকে ৭৫ গ্রাম
- আয়রন = ২ থেকে ৩ মিলি গ্রাম
- ম্যাগনেশিয়াম = ৫০ থেকে ৬০ মিলি গ্রাম
- ফসফরাস = ৩০০ থেকে ৩৫০ মিলি গ্রাম
- জিংক= ২ থেকে ৩ মিলি গ্রাম
লাল আটার উপকারিতা

- লাল আটায় থাকা ভিটামিন B6 ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে
- লাল আটা রক্তে কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
- ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ত্রন করে
- লাল আটায় থাকা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমিয়ে উপকারী ফ্যাট বাড়ায়
- লাল আটা অতিরিক্ত ওজন কমায়, ক্ষুধা প্রশমিত করে
- লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- লাল আটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
- লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে
খাবো কোনটা? লাল আটা নাকি সাদা আটা?
সোজা কথায় বলতে গেলে, সাদা আটায় পুষ্টি গুন অনেক অনেক কম। কেননা, গম ভেঙ্গে পরিশোধন করে যখন সাদা আটা প্রস্তুত করা হয়,তখন গমে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং আমিষ নষ্ট হয়ে যায়। সাদা আটায় আঁশ খুবই কম থাকে। আর ভূসিসহ লাল আটায় আঁশের পরিমাণ অনেক অনেক গুন বেশি। সকাল-বিকাল নাস্তায় যারা রুটি পছন্দ করেন,তারা সাদা আটার পরিবর্তে লাল আটার ব্যবহার করুন।

কাষ্টমার রিভিউ


