ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট ব্যবসা
দেশের বাইরে পণ্য বিক্রি করে কোটি টাকাও ইনকাম করা সহজ। শুধুমাত্র প্রপার নলেজ না থাকার কারনে আমরা পিছিয়ে আছি। এজন্যই আমরা আপনাদের জন্য এই ই-বুকটি নিয়ে এসেছি !

বইটি আপনার কেন পড়া উচিত ?

এই ই-বুকটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন বাংলাদেশ থেকে কিভাবে রপ্তানি ব্যবসা শুরু করবেন, কিভাবে বিদেশি বায়ার খুজবেন, কিভাবে পণ্য সিলেকশন এবং মার্কেটিং করবেন, কিভাবে সিএন্ডএফ, কাস্টমস, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারসহ রপ্তানি ব্যবসার Key-Players দের সাথে ডিল করবেন A টু Z সব তথ্য। ট্রেডিশনাল ইম্পোর্ট ব্যবসার পাশাপাশি, লাইসেন্স ছাড়াও চায়নাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মাত্র ৭ থেকে ১৫ দিনে পণ্য আমদানি করে ব্যবসা পরিচালনা করার বিস্তারিত তথ্য পাবেন এই ই-বুকটিতে !
বইটি পড়লে কি কি জানবেন ?
- বিজনেসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং আবেদন প্রক্রিয়া
- আমদানিকৃত পণ্য অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার মার্কেটিং কৌশল
- রপ্তানীর হিডেন সিক্রেট, তথ্য, নিয়মাবলি সম্পর্কে আলোচনা
- আলিবাবা.কম-সহ চায়না থেকে থেকে স্বল্প সময়ে পণ্য আমদানি প্রক্রিয়া
- রপ্তানি'র পেমেন্ট গ্রহণ এবং আমদানি'র পেমেন্ট প্রদান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য
- ব্যাংক, সিএন্ড এফ, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার, কাস্টমস ডিলিং
- বিভিন্ন দেশের বায়ার খুজে তাদের কাছে প্রোপোজাল পাঠানোর উপায়
- এক্সপোর্ট এর জন্য কোম্পানি প্রোফাইল তৈরি করার নিয়ম
- পণ্য সিলেকশন প্রক্রিয়া এবং মার্কেট রিসার্চ কিভাবে করতে হয়
- এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট বিজনেস কিভাবে শুরু করতে হয় স্টেপ বাই স্টেপ সকল প্রক্রিয়া

বইটি পড়ে কি আসলেই কোন লাভ হবে ?

এই বইটিতে আমরা আলোচনা করেছি কিভাবে আপনি প্রোডাক্ট রিসার্চ করবেন, মার্কেট রিসার্চ করবেন, বায়ার খুজে পাবেন, ইআরসি বা এক্সপোর্ট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট পাবেন, কিভাবে পার্টনারশীপ বা লিমিটেড কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন করবেন, কিভাবে পেমেন্ট রিসিভ করবেন, কিভাবে সিএন্ডএফ, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার, কাস্টমসের সহযোগীতায় প্রোডাক্ট বন্দরে লোড করবেন, কিভাবে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র রেডি করবেন, ব্যাংক ডিলিং করবেন, সরকারী ইনসেভটিভ রিসিভ করবেন ইত্যাদি !
বইটির কয়েকটি পাতার স্ক্রিনশট নিচে দেয়া হলো





